This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, September 30, 2019

কফি : জেনে নিন কফি পানের কিছু উপকারিতা ও ঝুঁকি

আড্ডা দেওয়ার সময়, ক্লান্তিবোধ থেকে মুক্তি পেতে কিংবা কাজের ফাঁকে ঘুম তাড়াতে চা বা কফি-র জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তত চার,পাঁচ বার চা বা কফি তো থাকবেই! অনেকেই আছেন যাঁরা তাঁদের দিনই শুরু করেন বেড টি বা কফি দিয়ে। তাই মানুষের মেজাজ পরিবর্তনে যে এগুলির ভূমিকা অন্যতম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।


বিশ্বব্যাপী অত্যধিক জনপ্রিয় পানীয়ের মধ্যে 'কফি' হল অন্যতম। 'কফি বীজ' নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো মিশিয়ে কফি তৈরি করা হয়। এই বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষিপণ্যের মধ্যে একটি। কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ থাকে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির মূল উপাদান ক্যাফেইনের জন্য কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। কফি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিক্রিত পণ্য। কফির উপকারিতা : একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কফি লিভারের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ক্যান্সার রোধ করে। এছাড়াও, আমাদের মানসিকভাবে সতেজ রাখে। কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। গবেষকদের মতে, প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কফি পান করা হলে আমাদের কিছু শারীরিক সমস্যার কমতে পারে। ক) হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় 
খ) করোনারি অ্যাস্টিরি রোগের ঝুঁকি কমায় 
গ) ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমায় 
ঘ) লিভার সেরোসিসের ঝুঁকি কমায় 
ঙ) ক্যান্সারের হওয়ার ঝুঁকি কমায় 
চ) ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমায় 
ছ) কফি পান করলে সতেজ অনুভূতি হয়। কফি শরীরে উদ্যম ও উৎসাহ তৈরি করে।
 
কফি পানের ঝুঁকি : সবকিছুরই যেমন ভালো দিক আছে তেমন আবার খারাপ দিকও আছে। কফি পানের উপকারিতার পাশাপাশি এর কিছু ঝুঁকিও দেখা যায়। যারা খুব বেশি কফি পান করেন তাদের ক্ষেত্রে কফি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, খালি পেটে কফি শরীরের পক্ষে মারাত্মক। বিশেষ করে ব্ল্যাক কফি ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়, সেগুলি হল - 
ক) খালিপেটে কফি খেলে বমি হতে পারে 
খ) কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে 
গ) মাথাব্যাথা 
ঘ) ঘুমে ব্যাঘাত হয় 
ঙ) বেশি কফি খেলে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যেতে পারে 
চ) স্নায়বিকতা এবং উদ্বেগ 
ছ) অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন বা উচ্চ রক্ত চাপের আশঙ্কা বাড়ায় 
জ) হরমোন ক্ষরণে ব্যাঘাত ঘটায়

 

Saturday, September 21, 2019

ত্বকে লেবুর প্যাক ||| ঘরোয়া রূপচর্চা


‘পুকুরধারে লেবুর তলে
থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে




থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই...।’

যতীন্দ্রমোহন বাগচীর ‘কাজলা দিদি’, মোহাম্মদ নাসির আলীর ‘লেবুমামার সপ্তকাণ্ড’, নিজের পাতে দুপুরের খিচুড়ির সঙ্গে টাটকা লেবু—লিখতে বসে সবই এল। লেবুর মোহনীয় ঘ্রাণে আকুল হওয়ার দৃশ্যটা বোধ করি বাঙালি পরিবারের খাবার টেবিলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। লেবুর ব্যবহার আছে রূপচর্চায়ও। জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞ মতামত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, সৌন্দর্যচর্চায় লেবুর সর্বোৎকৃষ্ট উপকার পেতে হলে লেবু খেতে হবে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে লেবুর অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। ফলে কোষের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া–বিক্রিয়ায় (কোষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত) স্বাভাবিক নিয়মে যে ক্ষতি হওয়ার, তা অনেকটাই কম হয়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। তবে লেবুর রসমিশ্রিত প্যাক ত্বকে ব্যবহারের পর কারও কারও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে দেখা যায়, কারও কারও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও প্রদাহ হতে পারে। তাই এ ধরনের প্যাক ব্যবহার করতে চাইলেও কিছু বিষয়ে সতর্কতা আবশ্যক।

ত্বক ও চুলের যত্নে লেবু উপকারী, জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকের আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমী। তিনি বললেন, মনে রাখতে হবে, লেবুর রস সাইট্রিক অ্যাসিড। তাই এর ব্যবহার না জেনে যেকোনো ধরনের ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করা উচিত নয়। হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে। বলিরেখাও পড়তে পারে। ত্বকের ধরন বুঝে নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠবে সুন্দর।

প্যাক হিসেবে পাতিলেবু ব্যবহার করাই ভালো। তবে এ লেবু সারা বছর পাওয়া যায় না। তাই অন্য লেবুও কাজে লাগাতে পারেন। আফরিন মৌসুমী জানালেন রূপচর্চায় লেবুর সঠিক ব্যবহার।

মুখের ত্বকে

তৈলাক্ত ত্বক অনেক সময় কালচে ও মলিন দেখায়। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও থাকে। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য এই প্যাক।

গ্রেডারের সাহায্যে লেবুর খোসার সবুজ অংশটা কুচি করে নিতে পারেন। কুচি করা খোসা বেটে নিন (পেস্ট করুন)। ১ টেবিল চামচ লেবুর খোসার পেস্ট, ৩-৪ টি পুদিনাপাতা, ৬-৭টি তুলসীপাতা ও ২ চা-চামচ মুলতানি মাটি পেস্ট করুন (পানি ছাড়া)। পুরোটা মুখে মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলে ত্বকে উজ্জ্বলতা আসবে।


স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বকের জন্য ১ চা-চামচ লেবুর রস, ১টি ডিমের কুসুম, ১ চা-চামচ মধু, ৬-৭ ফোঁটা জলপাই তেল ও ২ চা-চামচ গমের ময়দা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই-তিন দিন ব্যবহার করুন। এই প্যাক ত্বক উজ্জ্বল করে এবং বলিরেখা দূর করে।

অতিসংবেদনশীল ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করলে চুলকানি হতে পারে। অন্যান্য সমস্যাও দেখা যায়। তাই এই ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার না করে লেবু ব্যবহার করতে হবে একটু ভিন্নভাবে। লেবুর খোসার ভেতরের সাদা অংশ (সবুজ অংশ এবং লেবুর ভেতরের সাদা পর্দার মতো অংশ বাদ দিয়ে) পেস্ট করুন। ১টি লেবু থেকে কমবেশি ১ চা-চামচ পরিমাণ পেস্ট পাওয়া যায়। ১ চা-চামচ পরিমাণের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মুগডালের বেসন, কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল (ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তরল ওষুধ) মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

প্যাক দিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। সপ্তাহে এক-দুই দিন ব্যবহার করতে পারেন। মুগডালের বেসন অতিসংবেদনশীল ত্বকের জন্য চমৎকার ক্লিনজার। অতিসংবেদনশীল ত্বকে অনেক সময় তৈলাক্ত ভাব ও বলিরেখা একই সঙ্গে দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা কমিয়ে আনতেও এই প্যাক উপকারী।
বডি স্ক্রাব, ক্লিনজার বা প্যাক হিসেবে ২টি লেবুর খোসা, আধা কাপ লেবুর রস (২টি লেবু থেকেই মোটামুটিভাবে এই পরিমাণ রস পাওয়া যায়), ৬ টেবিল চামচ সুজি, ৬ টেবিল চামচ হলুদের রস, ২টি ডিমের সাদা অংশ, ২ টেবিল চামচ জলপাই তেল ও ৩ টেবিল চামচ বাদামি চিনির মিশ্রণ শরীরের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন সপ্তাহে এক দিন। ১০-১৫ মিনিট পর তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। ত্বকের মৃত কোষ সরে যাবে, ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, ত্বকের বিভিন্ন স্থানের রঙের অসামঞ্জস্য দূর হবে। যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য এই স্ক্রাব কার্যকর। তবে হলুদের রস সরাসরি ব্যবহার করা ঠিক নয়। সরাসরি হলুদের রসের সঙ্গে লেবুর মিশ্রণ করা হলে ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই আগে হলুদ ছেঁচে রস বের করে নিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এভাবে জ্বাল দিয়ে রাখা রস ফ্রিজে সাত দিন পর্যন্ত রেখে ব্যবহার করা যায়। ডিপ ফ্রিজে আরও বেশি দিন রাখা যায়। লেবুর খোসায় আছে এসেনশিয়াল তেল। বাদামি চিনির পরিবর্তে সাদা চিনি কাজে লাগাতে পারেন। তবে বাদামি চিনি বেশি ভালো।

চুলের যত্নে মাথার ত্বক তৈলাক্ত ও চুল শুষ্ক প্রকৃতির হলে, মাথার ত্বক খুব ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে, শ্যাম্পুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে চুল ঝরঝরে থাকে, মাথার ত্বক ও চুল ঘেমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে না, ঘামজনিত দুর্গন্ধও হয় না। এ উপকার পেতে বাইরে যাওয়ার আগে এভাবে শ্যাম্পু করে নেওয়া ভালো, প্রয়োজনে প্রতিদিনই করতে পারবেন। শ্যাম্পুতে রিঠার নির্যাস থাকলেও লেবুর রস দেওয়া যায়। তবে শ্যাম্পুতে প্রকৃতরূপে রিঠাই যদি থাকে, তাহলে আর লেবুর রস দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

তৈলাক্ত মাথার ত্বকে যদি খুশকি হয়, তাহলে ২ টেবিল চামচ মেথি, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ২ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করতে পারেন। অনেক সময় এ ধরনের চুলে খুশকি হয়, যা সহজে দেখা যায় না। মাথায় ফুসকুড়ির মতো গোটা হতে দেখা যায়, চুল পড়ে যেতে দেখা যায়। খুশকি বা এ রকম সমস্যা বেশি হলে সপ্তাহে দুই দিনও ব্যবহার করা যায়।

চুলের জন্য আরেকটি প্যাক—

২ টেবিল চামচ আমলকীর পাউডার, সমপরিমাণ মেথি পাউডার ও ১টি লেবুর খোসা (সবুজ অংশ) একসঙ্গে পেস্ট করে নিন। এই মিশ্রণকে চুলের ‘খাবার’ বলা হয়। অল্প পরিমাণ (এক থেকে দেড় টেবিল চামচ) জলপাই তেল বা নারকেল তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা (মাথার ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে চুলেও দেওয়া যায়)। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণ চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সহায়তা করবে।

সতর্কতা

অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল জানালেন, যে প্যাক ব্যবহার করতে চান, সেটি তৈরি করে কানের পেছনের ত্বকে খানিকটা লাগাতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া হলে সেই প্যাক তখনই পরিত্যাগ করবেন। কোনো সমস্যা না হলে প্যাকের জন্য প্রযোজ্য সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ১৪ দিন পর আবার একই প্যাক একই নিয়মে একই জায়গায় একইভাবে ব্যবহার করুন। কোনো সমস্যা না হলে ৭-১৪ দিন পর পুনরাবৃত্তি করুন। এরপর কোনো সমস্যা না হলে ধরে নেওয়া যায় প্যাকটি আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না। তাহলে পরদিন থেকে প্যাকটি ব্যবহার করতে পারবেন। কোনো কোনো সমস্যা দেখা দিতে একটু বেশি সময় লাগে। তাই এই পদ্ধতি। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়ে কানের পেছনের ত্বকে কোনো ধরনের সমস্যা হলে অবস্থানগত কারণে সেটির চিকিৎসা করাতে হবে।

Friday, September 13, 2019

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ১৫টি বিউটি টিপস

১: আঙুর
অনেক ক্ষেত্রেই ত্বকের স্বাভাবিকতা কমে গিয়ে ত্বকের ফর্সা ভাব ও উজ্জলতা কালচে হতে থাকে। বাহ্যিক ময়লা আবরনের স্তর এবং সূর্য 
রশ্নি দ্বারা ত্বকে কালচে ভাবের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ত্বক ফর্সা করতে আঙুরের রস দারুণ উপকারি। কয়েকটি আঙুর

নিয়ে মুখে আলতোভাবে ঘষুন। আঙুর বেটে ফেসপ্যাক তৈরি করেও মুখে লাগাতে পারেন।
২: শসার রস, গ্লিসারিন ও গোলাপ জল
শশার রস। পরিমাণ মত শশার রসে মিশাতে হবে অল্প গ্লিসারিন আর গোলাপ জল
সূর্যের অতি বেগুনি রশ্নি ত্বক পুরিয়ে ফেলে। শসার রস, গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের মিশ্রণ রোদে পোড়া ত্বকের জন্যে উপকারি।
রোদে যাওয়ার আগে এবং বাসায় ফিরে এগুলি একসাথে মিশিয়ে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল থাকবে।
৩: চন্দন, হলুদ ও দুধ চন্দন 
বয়সের ছাপ, বিষন্নতা, অযত্ন, ত্বকে স্বাভাবিক আলো বাতাসের অভাবে, ত্বকের সতেজতা হ্রাস পায়।
চন্দন গুড়ার সাথে সামান্য হলুদ গুড়া ও দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ত্বক সতেজ আর সুন্দর করতে এই মিশ্রণটি বেশ কার্যকর।
৪: মধু ও দুধের সর
দুধের সরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক হবে নরম আর উজ্জ্বল। শীতকালে এই মিশ্রণটি আপনাকে ত্বক নিয়ে অনেকটাই নিরুদ্বেগ রাখবে।
৫: দুধ,লবণ ও লেবুর রস দুধ।
প্রাত্যহিক কাজ কর্মের বিভিন্ন সময় ত্বকের ভাজে ভাজে ধূলাবালি ও ময়লা লেগে বাহ্যিক ময়লা আবরনের স্তর লোমকূপের মাধ্যেম টিস্যু/কোষে জমা হয়।
ফলে ত্বকে অক্সিজেন প্রেবশ করেত পারে না। দুধের মধ্যে এক চিমটি লবণ আর লেবুর রস মেশান। এই মিশ্রণটি আপনার ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।
৬: টমেটোর রস
বাহ্যিক ধূলাবালি, ময়লা, সূর্যের তাপ ও অবেহলার কারনে ত্বকের স্বাভাবিক মসৃন ভাব কমে ত্বক রূক্ষ হয়ে যায়। ত্বক নরম করতে টমেটোর রস খুবই কার্যকরী।
টমেটোর রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগালে ভালো ফল পাবেন।
৭: হলুদ গুড়া, গম ও তিল
অনেকের ত্বকের বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্চিত বা অনাকাক্ষিত লোম থাকে। যা মুখের স্বাবাবিত সৌন্দর্য নষ্ট করে।
হলুদের গুড়া,গমের ময়দা ও তিলের তেল একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন। এই মিশ্রণটি আপনার ত্বককে অনাকাঙ্ক্ষিত লোমের হাত থেকে দূরে রাখবে।
৮: বাঁধাকপির রস ও মধু
একটা সময় সবারই বয়স বাড়তে থাকে, এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে বিভিন্ন বলিরেখার সৃষ্টি হয়।
বাঁধাকপির রস ও মধু একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। বলিরেখা দূর করতে এই মিশ্রণ খুব উপকারী।
৯: গাজর
ত্বকে অক্সিজেন এর অভাব হলে উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়। ত্বকে ময়লা জমলে অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে না।
গাজরের রস মুখে আনে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা। গাজরের রস নিয়মিত মুখে লাগালে ত্বক সতেজ থাকবে এবং উজ্জ্বলতা বাড়বে।
১০: মধু ও দারুচিনি
খাদ্যভ্যাস, ময়লা-ধূলাবালি, দুশ্চিন্তা, মানুষিক চাপ, নিদ্রাহীনতা, ধূমপান, মাদক এবং অতিরিক্ত ঘুমের অষুধ সেবনে মুখে ব্রণ হয়।
তিন ভাগ মধু ও এক ভাগ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি ব্রণের উপর লাগান। সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি আপনার ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করবে।
১১: বাদাম ও লেবুর রস
শহরের যান্ত্রিক পরিবেশে পর্যাপ্ত পরিমান প্রাকৃতিক বাতাস এর অভাব রয়েছে। এর ফলে ব্রন ও ব্ল্যাকহেড এর সৃষ্টি হয়। বাদামের তেল ও লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান।
এই মিশ্রণটি ব্রণ ও ব্ল্যাকহেড দূর করবে আর ত্বককে রাখবে সতেজ ও সুন্দর।
১২: আ্যলোভেরার রস
ত্বকে পর্যাপ্ত পরিমান পানির অভাবে ত্বকের সজীবতা হ্রাস পায়। ত্বক সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে পানি আবশ্যক। আ্যলোভেরার রস মুখে
লাগালে ত্বকের দাগ দূর হয়। আ্যলোভেরার রস ত্বকের পানিস্বল্পতা দূর করে লাবণ্য ফিরিয়ে আনে।
১৩: ঘি ও গ্লিসারিন
শরীরের বিভিন্ন স্থানের ত্বকের মসৃনতা বজায় রাখতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাজারের ক্যামিক্যাল যুক্ত এবং বানিজ্যিক ভাবে
বিক্রিত প্যাকেট জাক দ্রব্য অনেকক্ষেত্রে বিপরীত প্রভাব ফেলে। ঘি ও গ্লিসারিনের মিশ্রণ খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার।
রাসায়নিক ময়েশ্চারাইজারের বদলে এটি ব্যবহার করে দেখুন। তফাত নিজেই টের পাবেন।
মুলতানি মাটি, নিমপাতা, তুলসিপাতা, গোলাপ পাঁপড়ি এবং গোলাপ জলমুলতানি মাটি, গোলাপের পাঁপড়ি, নিম পাতার গুঁড়া, তুলসি পাতার গুঁড়া
সামান্য গোলাপ জল বা লেবু পাননির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল থাকবে।
১৪: অ্যাপ্রিকট ও দই
দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন অনিয়ম ও ত্বকের কোষে পানিশূন্যতা হলে ত্বক শুশ্ক হয়ে যায়। অ্যাপ্রিকট এবং দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বক সতেজ রাখে। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তাহলে এর সাথে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। 

Wednesday, September 11, 2019

অদ্ভুৎ কিছু বিউটি টিপস

পারফিউম লাগানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান বাড়ি থেকে বেরনোর সময় আমরা পারফিউম লাগিয়ে বেরলেও তার সুগন্ধ কিছুক্ষণ বাদেই হাওয়া হয়ে যায়।
তার ফলে বারবার পারফিউম লাগাতে হয়। কিন্তু সবার সামনে কা সবসময় সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে পারফিউম লাগানোর আগে পর্যাপ্ত পরিমানে গলায় ও হাতে
পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে তার উপর পারফিউম স্প্রে করুন। সুগন্ধ বেশিক্ষণ বজায় থাকবে। পাকাচুল রং করতে আইশ্যাডো কোনও অনুষ্ঠান থাকলে বাকি সব
তৈয়ারি আগে থেকে করে রাখলেও পাকা চুলে কলপ করার বিষয়টা শেষ মিনিটের জন্য ফেলে রাখি। আর যথারীতি তাড়াহুড়ো কলপ লাগানোর সময় না পাওয়া গেলে মাথায় হাত পড়ে।
যদি পাকা চুলের পরিমান কম হয়, তাহলে আইশ্যাডো দিয়েই সেদিনের মতো কাজ চালিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
কালো আইশ্যাডো আঙুলের সাহায্যে চুলের সাদা অংশে লাগিয়ে নিন। সেদিনকার মতো অন্তত আইশ্যাডোতে পাকা চুল ঢাকা যাবে।
নেলপালিশের পর ঠান্ডা জল নেলপালিশ লাগানোর পর যদি ঠান্ডা জলে হাত ৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখেন তাহলে অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি নেলপালিশ শুকিয়ে যায়।
চোখের পাতা ঘন দেখাতে বেবি পাউডার অনেকের চোখের পাতা ঘন হয় না বলে মাসকারা লাগানোর পরও ফাঁকা ফাঁকা দেখায়।
সেক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে বেবি পাউডার। চোখের পাতায় মাসকার লাগানোর পর একটি ছোট বাটিতে বেবি পাউডার নিয়ে তাতে চোখের পাতা ডুবিয়ে নিন।
এরপর ৫-৬ মিনিট রেখে আরও ২ কোট মাসকারা লাগিয়ে নিন, দেখবেন চোখের পাতা ঘন লাগছে। লিপস্টিক তুলুন পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে অনেক সময় গাঢ়
রংয়ের লিপস্টিক পরার পর তা তুলতে যাওয়ার সময় শুধু তুলোয় কাজ হয় না। সেক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম জেলি সবচেয়ে উপকারি।
লিপস্টিকের উপরই পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। তারপর টিস্যু বা তুলো দিয়ে মুছে নিলে একেবারে সাফ হয়ে যাবে লিপস্টিক।
লিপস্টিকে পাউডার লাগান লিপস্টিক পরে সেজেগুজে বেরনোর সময় ভালই লাগে। কিন্তু মুশকিল হল লিপস্টিপ ঠোঁটে বেশিক্ষণ টেকে না।
যদি লিপস্টিপ লাগিয়ে তার উপর পাউডার পাফ করে আবার এক কোট লিপস্টিক লাগান তাহলে দেখবেন লিপস্টিক অনেকক্ষণ বেশি সময় ধরে ঠোঁটে থাকবে। 

Monday, September 9, 2019

প্রতিদিন রাতে অবশ্যই করনীয় কিছু টিপস

১. মেকআপ তুলে ফেলুন
রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে ঘুমানোর উচিত। হাজারআলসেমি লাগলেও কখনই মেকআপ সহ ঘুমানো ঠিক নয়। কারণ মেকআপ সহজ ঘুমালে ত্বকে মেকআপের 
রাসায়নিক উপাদানগুলো ক্ষতির সৃষ্টি করে। ফলে ত্বক অনুজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং ব্রণের উপদ্রব বৃদ্ধি পায়।
২. দুটি বালিশ ব্যবহার করুন
উঁচু বালিশের ঘুমানোর অভ্যাস করুন। উঁচু বালিশ না থাকলেও কমপক্ষে দুটি বালিশ মাথার নিয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। উঁচু বালিশে ঘুমালে ঘুম থেকে ওঠার পরের চোখের নিচের ও মুখের ফোলা ভাব থাকে না।



৩. পিউরিফাইং মাস্ক লাগিয়ে নিন
ঘুমাতে যাওয়ার আগেই অবশ্যই ত্বকে কোনো ভালো মানের মাস্ক রাখা উচিত। মুখের দাগ কমানোর কিংবা উজ্বলতা বাড়ানোর জন্য কোনো
হারবাল মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন ঘুমানোর আগে। অ্যালোভেরার রস ও ব্যবহার করতে পারেন মাস্ক হিসেবে। অ্যালোভেরার রস মুখে লাগিয়ে পুরো রাত রেখে দিলেও ভালো ফল পাবেন।
৪. হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন
সারাদিনের বার বার সাবান ব্যবহার এবং ধুলা ও ময়লায় হাত রুক্ষ হয়ে যায় এবং আমাদের নখ গুলো অসুন্দর হয়ে যায়। তাই রাতে ঘুমানোর আগে হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন।
এতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পড়ে হাত ও নখ গুলো থাকবে সুন্দর।
৫. সিল্কের তৈরি বালিশের কভার ব্যবহার করুন
সুতি কাপড়ের বালিশের কভার বেশ খসখসে যা চুলের কিউটিকলের জন্য ক্ষতিকর। তাই রাতে ঘুমানোর জন্য সিল্কের বালিশের কভার বানিয়ে নিন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
৬. চুল বেঁধে ঘুমান
রাতে ঘুমানোর সময় আমাদের চুলের তেল, ময়লা ও নানান জীবাণুর কারণে ত্বকে ব্রণের আক্রমণ হতে পারে। ত্বক ব্রণের আক্রমণ থেকে বাঁচতে চাইলে চুল বেণি করে অথবা বেঁধে ঘুমিয়ে পড়ুন।
এতে চুলগুলোও যত্নে থাকবে এবং আপনার ত্বকও ভালো থাকবে।
৭. এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করুন
পরিবেশ দুষণ ও সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে আমাদের ত্বকের ক্ষতি হয় প্রতিদিনই। আর তাই ত্বকের জন্য প্রয়োজন এক্সফলিয়েটর।
ঘুমানোর আগে প্রতিদিনই ভালো মানের এক্সফলিয়েটর দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
৮. ৮ ঘণ্টা ঘুমান
সুন্দর ত্বকের জন্য চাই পরিমিত ঘুম। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা গভীর ঘুম প্রয়োজন।
তাই সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য প্রতিদিন রাতে কমপক্ষে ৮ঘন্টা ঘুমানোর অভ্যাস করা প্রয়োজন।
৯. আই ক্রিম ব্যবহার করুন
বয়স যতই হোক চোখের নিচের ত্বকের যত্নে আই ক্রিম ব্যবহার করাটা জরুরি। নাহলে আপনার চোখ জোড়াকে বড্ড ক্লান্ত দেখাবে। 

খুবই দরকারি ৭টি বিউটি টিপস

চুলে আইশ্যাডো দেয়া কিংবা চোখের পাপড়িতে বেবি পাউডার দেয়া অদ্ভুত শোনাচ্ছে?
সমস্যায় পড়লে বা হাতের কাছে কিছু না থাকলে এসব অবাক করা সমাধনাই কাজে আসে। ছোট ছোট এসব টিপস জানা থাকলে


আপনার জীবন আরো সহজ হয়ে উঠবে। আসুন জেনে নেই কিছু অদ্ভুত বিউটি টিপস –
১. অনেক আগে চুলে কলপ দেওয়ার কারণে আবার বেরিয়ে পড়েছে পাকা চুল? অথচ সময় নেই চুলে রং দেবার।
বাইরে যাবার আগে পাকা চুলের অংশে আপনার চুলের রঙের আইস্যাডো ব্রাশ নিয়ে একটু আইশ্যাডো দিয়ে নিন, পাকাচুলের গোড়া হারিয়ে যাবে ।
২. চুল শুকাতে ড্রাই শিট ব্যবহার করুন। ভেজা চুলে হালকা করে ড্রাই শিট ঘসুন চুল শুকিয়ে যাবে।
৩. চোখের পাপড়িকে ঘন ও লম্বা করতে মাশকারা দেবার সময় প্রথমবার অল্প করে পাউডার দিয়ে নিন এরপর মাশকারা দিয়ে নিন।
৪. ম্যাট লিপ স্টিক কিংবা স্মাজ প্রুফ আইলাইনার তুলতে চান, একটু অলিভ অয়েল হাতে নিয়ে ঠোঁটে আর চোখের
পাতায় ম্যাসেজ করুন উঠে আসবে লিপস্টিক কিংবা আইলাইনার।
৫. টুথব্রাশে চারকোল নিয়ে ৩-৪ মিনিট দাঁত মাজুন এরপর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন আগের থেকে সাদা দেখাচ্ছে দাঁত।
৬. সেভিং ফোম শেষ হয়ে গেছে, কন্ডিশনার দিয়ে সেভ করে ফেলুন। সেভিং ফোমের মত কন্ডিশনার রেজারের স্ক্রাচ থেকে ত্বক বাঁচাবে।
৭. ঠোঁটের পুরনো চামড়া তুলতে একটা ব্রাশে ভেসলিন নিয়ে আস্তে আস্তে ঘসতে থাকুন, পুরনো চামড়া উঠে চলে আসবে।